সাজগোজের ব্যাপারে যে তথ্যগুলো জেনে রাখা উচিত সকল নারীর

জগতের সকল মেয়ে নিজের সাজপোশাক নিয়ে খুব সচেতন, নিজেকে ভীষন সাজিয়ে গুছিয়ে চলে, এমনটা কিন্তু মোটেও নয়। প্রতিটা মেয়ে যে নিজের সাজসজ্জা সম্পর্কে প্রাথমিক সচেতনতা রাখে তাও ধরে নেয়া ভুল হবে। এমন বহু মেয়ে আছে যারা খুব সামান্য যত্নটুকুও দেখায় না এসব ব্যাপারে, সবকিছুই তাদের কাছে বাহুল্য এবং অযথা মনে হয়। সেই মেয়েগুলি যখন নিজের চিরচেনা “ড্যাম কেয়ার” প্রতিচ্ছবি থেকে বের হতে চায়, সাজগোজ বা পোশাক নিয়ে একটু হলেও ভাবতে শুরু করে, তখন কেমন করে কী করবে না করবে সেই ভাবনাগুলি তাদের সমস্যায় ফেলতে পারে। তাদের জন্যই ছোট্ট কয়েকটা কথা দিয়ে এই লেখাটা সাজানো।

সাজের দুনিয়ায় পা রাখবেন, একেবারে খালি হাতে কি তা হয়? কিছু উপকরন কিনুন খুব বেছে নিয়ে, যা আপনাকে মানাবে, বা অন্তত এটুকু বুঝে কিনুন যে জিনিষটা আপনার বেশ পছন্দ হচ্ছে। ট্রেন্ড এটা বলছে, ট্রেন্ডে ওটা চলছে, সেসব ভাবতে যেতে হবে না এখনই। উপকরন বলতে দুটিই প্রধান, কাজল এবং লিপস্টিক অথবা লিপবাম।

বাইরে বের হতে ত্বককে সুরক্ষিত করতে এমন প্রসাধনী ব্যবহার করুন, যা সময় এবং আপনার ত্বকের ধরনভেদে যেটাই মানায়। তারপরে সাজের জন্য এই সামান্য কয়টি জিনিষ রাখুন নিজের কাছে।

লিপবামকে ঠিক সাজের অনুষঙ্গ বলা যায় না, এটি ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রসাধনী। শীতকালে পর্যাপ্ত ময়েশ্চারযুক্ত এবং গরমে সূর্যরোধী একটি লিপবাম আপনার কাছে প্রয়োজনের জিনিষ হিসেবেই থাকতে হবে। এই লিপবাম সাজের অংশ হয়ে যায় তখন, যখন তাতে রঙের প্রলেপ থাকে। তাই ভালো কয়েকটি রঙিন লিপবাম রাখুন কেনাকাটার তালিকায়। শখ হলে লিপস্টিকও কিনতে পারেন। যেহেতু সাজগোজের ধারনাটার সাথেই আপনার নতুন পরিচয় হতে চলেছে, তাই স্বস্তির দিকে সর্বোচ্চ নজর দিন। এই কারনেই বেছে নিন সব হালকা রঙের সামগ্রী, লিপবাম বা লিপস্টিক যাই হোক না কেনো।

কাজল কিনুন, সম্ভব হলে দুটি বা তিনটি। কালো কাজল তো পরবেনই, সাথে ছাই রঙের একটি এবং আরেকটি নীল কাজল সংগ্রহে রাখুন। এই রঙগুলি মোটেও উগ্র নয়। বরং খুব সহজে সাজের মাত্রাই বদলে দিতে সাহায্য করে।
এবার আসবে সাজুগুজুর পালা। প্রথমে খুব অল্পেই তো শুরু করবেন। কাজলের একটা আঁচড়েই অভ্যাস হতে থাকুক রোজ। পুরো খালি চোখের চেয়ে ওই একটুখানি কাজলই চেহারায় বদল এনে দেবে, খুব সামান্য হলেও। আর একটু যত্ন নিয়ে চোখ সাজানোর ইচ্ছা হলে চোখের কোলে কাজল দেয়ার পাশাপাশি চোখের পাতায়ও রেখা বরাবর একটা দাগ টেনে নিন, যদি এখনি সোজা করে লাইনার দেয়ার হাত থাকে আপনার! অথবা চাইলে চোখের কোলে কালো কাজল দিয়ে তার নিচে অন্য রঙের কাজল বুলিয়ে ভালো মতন মিশিয়ে দিন। নিজেই নিজের নতুন রূপে অবাক হবেন, কিন্তু খুশিও হবেন ঢের।

লিপবাম অথবা লিপস্টিক ব্যবহারের অভ্যাসটাও করতে থাকুন ধীরে ধীরে। ম্যাট লিপস্টিক কেনার পরেও যদি ঠোঁটে দিলে একটু চিটচিটে অনুভব করেন, তখন অল্প একটু পাউডার ঠোঁটে লাগিয়ে ভালো করে মুছে বা ঝেড়ে ফেলুন। ঠোঁট পুরোপুরি শুকনো রাখার এটি কার্যকরী কৌশল।

এবার যদি কখনো চোখের সাজে আরো কিছু যোগ করার শখ জাগে, তাও পারবেন। বাড়তি কিছুই লাগবে না, আপনার থলেতে যা জমেছে এটুকুতে তাতেই হয়ে যাবে। লিপবাম বা লিপস্টিকই আপনি অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন চোখের পাতায়। কেননা ঠোঁটের সংবেদনশীল ত্বকে আপনি যা ব্যবহার করছেন, তা আপনার চোখের পাতার চামড়ার জন্যেও নিরাপদ। পরিষ্কার হাতে আঙ্গুলে লিপবাম বা লিপস্টিক লাগিয়ে নিন, এবার চোখের পাতায় দিয়ে মিশিয়ে ফেলুন আঙ্গুলের সাহায্যেই। খুব বেশি সময় নিয়েও এক মিনিটের মাঝেই আপনার বিশেষ আইশ্যাডো সেশন মিটে যাবে!

তবে এইবার আপনি তৈরি! নিজের পুরনো রূপকে ছুটি দিয়ে খুঁজে নিন এক নতুন আপনাকে।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Most searched keywords: Insurance, Loans, Mortgage, Attorney, Credit, Lawyer, Donate, Degree, Hosting, Claim, Conference Call, Trading, Software, Recovery, Transfer, Gas/Electricity, Classes, Rehab, Treatment, Cord Blood, domain, music, mobile, phone, buy, sell, classifieds,recipes
Top