নিয়মিত ফেসিয়াল করলে উদ্বেগ কমে: গবেষণা

নিয়মিত ফেসিয়ালের মাধ্যমে সহানুভূতিশীল স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হয়। ফলে উদ্বেগ কমে ও মেজাজ ভালো থাকে, এমনটাই জানিয়েছে এক গবেষণা।

বায়োমেডিকেল রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, আমাদের মুখে শত শত প্রেসার পয়েন্ট রয়েছে, যা শরীরের বিভিন্ন সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত। আর যখনই এ প্রেসার পয়েন্টগুলোয় ম্যাসাজ করা হয়, তখন আমাদের শরীরও রেসপন্স করতে শুরু করে। আর একটি ভালো ফেসিয়াল ত্বকের হারানো দীপ্তি ফিরিয়ে আনে। তাছাড়া এটি এক ধরনের মুখের ব্যায়াম। তবে সবসময়ই অভিজ্ঞ বিউটিশিয়ান দ্বারা ফেসিয়াল করা উচিত। যেহেতু অসংখ্য প্রেসার পয়েন্ট রয়েছে, সেহেতু এমন কোনো স্থানে অতিরিক্ত চাপ দেয়া যাবে না, যাতে করে অন্য কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উপকারিতা: নিয়মিত ফেসিয়াল করলে ত্বক পরিচ্ছন্ন থাকে। আর ত্বক সুন্দর রাখতে ঘরে বসেই করা যেতে পারে ফেসিয়াল। ত্বকের উপযুক্ত ক্লিনজার, এক্সফলিয়েটর ও স্টিমের মাধ্যমেই করা যাবে ফেসিয়াল। নিয়মিত করতে পারলে ত্বক সুন্দর হয়ে উঠবে।

একটি গবেষণায় জানা গেছে, ম্যাসাজ করার ফলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। মুখের ক্ষেত্রেও এই একই কথা। ম্যাসাজের ফলে ত্বকে অক্সিজেন ও পুষ্টি উভয়ই পৌঁছে। ফলে ত্বক আরো বেশি জেল্লা ছড়ায়।

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের অ্যালাস্টিসিটি স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে। ফেসিয়ালের মাধ্যমে ত্বকের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমে যায়। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ থেরাপিস্টের কাছ থেকে সঠিক উপকরণ দিয়ে ফেসিয়াল করিয়ে নিতে হবে।

কতদিন পর পর?

কতদিন পর পর ফেসিয়াল করতে হবে, তা নিচের কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে—

ত্বকের ধরন: যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয়, তাহলে ব্রণ ও র‍্যাশ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এ ধরনের ত্বকের অধিকারীদের প্রতি দুই সপ্তাহে একবার ফেসিয়াল করা উচিত। আর যদি শুষ্ক, মিশ্র বা স্বাভাবিক হয়, তাহলে মাসে একবার করাই যথেষ্ট।

ত্বকের অবস্থা বুঝে: যদি ব্ল্যাকহেডসযুক্ত বা নিষ্প্রভ ত্বক হয়, তাহলে জেনে নিন ঠিক কী ধরনের ফেসিয়াল আপনার প্রয়োজন। যে ধরনের ফেসিয়াল করলে এসব সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে, সেটিই করুন।

কমেন্টসমুহ
সিক্রেট ডাইরি সিক্রেট ডাইরি

Top