fbpx

সানজারির গোপনাঙ্গ লক্ষ্য করে এসিড নিক্ষেপ, মিলা-কিমের ফোনালাপ ফাঁস

‘আমি তোকে তো কিছুই বলিনি। তোকে পুলিশ সন্দেহ করছে। যেখানেই লুকে থাক তোকে পুলিশ খুঁজে বের করবে। আর সানজারি এমনিতেই জেলে যেত কিন্তু তুই যে কাজটা করেছিস তা আমার জন্য সত্যিই অনেক খারাপ হলো।’

আজ শুক্রবার সঙ্গীতশিল্পী মিলা ও তাঁর সহযোগী জন পিটার কিম ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। ১১ মিনিট ১০ সেকেন্ডের ও ফোনালাপটি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়। সেখানেই এমন কথা বলেন মিলা।

এর আগে গত বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে ‘এইড ফর মেন’ নামক সংগঠন। মিলার সাবেক স্বামী এস এম পারভেজ সানজারির ওপর হামলার বিচারের দাবিতে ওই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে সংগীতশিল্পী মিলা ও তাঁর সহকারী জন পিটার কিমের গ্রেপ্তার দাবি করেন বক্তারা।

সানজারির ভাই আইনজীবী আল আমিন খানের অভিযোগ, সানজারির গোপনাঙ্গ লক্ষ্য করে এসিড নিক্ষেপ করা হয়। তাঁকে বিকলাঙ্গ করার জন্যই ওইভাবে এসিড ছোড়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

ফোনালাপে শোনা যায় মিলা কিমকে বলেন, ‘এতদিন কই ছিলি। আমার সব কষ্টের মধ্যেও তোকে টাকা দিয়েছি। নিজের সাথে রেখেছি। আমার কাছ থেকে হঠাৎ করে চলে গিয়ে সানজারির বাসায় কী কারণে? আমি কি সানজারির বাসায় যেতে বলেছি? সানজারিকে কি করছিস? সানজারিকে নাকি এসিড নিক্ষেপ করছোস?’

তখন কিম বলে, ‘এ ধরনের কোনও কাজ করিনি। আমি ভয় পেয়েছিলাম তাই আমি পালিয়েছিলাম।’

গত ২ জুন সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হন সানজারি। গত ২ থেকে ৯ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ৬০২ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

এরপর গত ৪ জুন এসিড দমন আইনে গায়িকা মিলার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন পারভেজ সানজারির বাবা এস এম নাসির উদ্দিন। উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি (নম্বর-৫) দায়ের করা হয়। ওই মামলার এজাহারে মিলা ও তাঁর সহকারী পিটার কিমকে অভিযুক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২১ এপ্রিল আদালতে মিলার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন পারভেজ সানজারি।

কমেন্টসমুহ
সিক্রেট ডাইরি সিক্রেট ডাইরি

Top