fbpx

সে আমার জীবনে আর ফিরতে চায় না

সমস্যা
আমরা দুজনই সদ্য স্নাতক। প্রায় আট বছরের সম্পর্ক। অনেকটা হঠাৎ করে এক বছর আগে সে জানাল, আমাকে বিয়ে করতে পারবে না। আমার সঙ্গে সংসার করলে নাকি সুখী হতে পারবে না সে! তাই এখন অন্য আরেকজনের সঙ্গে নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছে। জেনেছি, তারা ঘনিষ্ঠভাবেও সময় কাটিয়েছে। এখন সে আমার জীবনে আর ফিরতে চায় না। আমি প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করার চেষ্টা করি, কিন্তু আমার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলে না। খুব দুর্ব্যবহার করে। সমস্যা
আমরা দুজনই সদ্য স্নাতক। প্রায় আট বছরের সম্পর্ক। অনেকটা হঠাৎ করে এক বছর আগে সে জানাল, আমাকে বিয়ে করতে পারবে না। আমার সঙ্গে সংসার করলে নাকি সুখী হতে পারবে না সে! তাই এখন অন্য আরেকজনের সঙ্গে নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছে। জেনেছি, তারা ঘনিষ্ঠভাবেও সময় কাটিয়েছে। এখন সে আমার জীবনে আর ফিরতে চায় না। আমি প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করার চেষ্টা করি, কিন্তু আমার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলে না। খুব দুর্ব্যবহার করে।
আমি তো তাকে ছাড়া চলতে পারব না! মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি এমন আচরণে। এক বছর ধরে প্রতিনিয়ত তাকে হারানোর মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছি। আমি কিছুতেই মন দিতে পারছি না। আমার জীবনে তাকে ছাড়া অন্য কাউকে মেনে নেওয়া সম্ভব না। তাকে ফিরে পেতে চাই। আমি এখন কী করব?

RFL Gas Stoveনাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক

পরামর্শ
তোমাদের সম্পর্ক এত দীর্ঘদিনের জেনে মনে হচ্ছে, দুজনেই সম্পর্কের শুরুতে বয়ঃসন্ধিতে ছিলে। এই সময়টিতে সম্পর্ক গড়ে উঠলেও আবেগগুলো তীব্র আকারে অনুভূত হয় বলে সম্পর্কে বেশ টানাপোড়েন থাকে। তুমি জানাওনি তোমাদের আট বছরের সম্পর্ক কীভাবে চলেছে। অনেক সময় দেখা যায়, দুজন দুজনকে খুব নিয়ন্ত্রণ করতে চেষ্টা করে। কারা তাদের বন্ধু হবে, কাদের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন থাকা উচিত, সেসব নিয়ে অনেক বেশি মনোমালিন্য হয়ে থাকে। তোমাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে কি না, তা ভেবে দেখতে পারো। এই মানসিক চাপ নিয়ে দুজনেই যখন সম্পর্কটি ধরে রাখার চেষ্টা করে, তাতে করে বেশ তিক্ততা জমে যায়। তবে ছেলেটি যেভাবে সম্পর্কটি শেষ করে দিল, সেটি তোমাকে যে অনেক বেশি বিপর্যস্ত করে তুলেছে তা বোঝা যাচ্ছে।

সে কী কারণে তোমার সঙ্গে সুখী হতে পারবে না, তা কি পরিষ্কারভাবে বলেছে? যদি বলেও থাকে, সেটি বোধ হয় তোমাকে মোটেও আশ্বস্ত করতে পারেনি। তুমি যে ওকে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করছ, এর ফলে ছেলেটির দুর্ব্যবহার করার সুযোগ বাড়ছে। এতে করে তো তোমার কষ্ট আরও বেড়ে যাচ্ছে, তাই না? তুমি হয়তো এখনো প্রত্যাশা করে রয়েছ বলেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছ না। তারপরও চেষ্টা করো নিজেকে তুমি এভাবে আরও কষ্ট না দিয়ে মনের যত্নের প্রতি মনোযোগী হতে।

আমাদের কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে নিজেকে, তাহলেই আমরা চারপাশের মানুষদের ভালোবাসতে এবং সুখী করতে পারব। একটি সম্পর্ক যেহেতু দুজনের সম্মতিতে চলতে থাকে, কোনো একজন সরে যেতে চাইলে আর কিছুই করার থাকে না। যে মানুষটি দুঃখের বোঝা বহন করে, সে ক্রমাগত একটি চক্রের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে। কখনো নিজের ওপর বা অন্য মানুষটির ওপরে খুব রাগ হয়, আবার কখনো সে অনেক বেশি বিষণ্নতার শিকার হয়। এ ছাড়া মাঝেমধ্যে মন মানতে চায় না যে সত্যিই ব্যাপারটি ঘটে গেছে। সে তখন নানাভাবে চেষ্টা করে ছেড়ে যাওয়া মানুষটিকে বুঝিয়ে, তার কাছে মাফ চেয়ে আবার সম্পর্কটিতে ফিরে যাওয়ার জন্য। তবে সেই চেষ্টা বহুদিন করতে থাকলে কষ্ট তো কমেই না, বরং হাজার গুণে বেড়ে যায়।

তুমি স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছ। কাজেই সামনে আরও উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। একটি মানুষের জন্য নিজেকে এভাবে নিঃশেষ করে দিয়ো না, কেমন? নিজের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অটুট রেখে লেখাপড়া শেষ করো। নিজের পায়ে দাঁড়াতে চেষ্টা করো। তোমার জীবনটি যে অনেক মূল্যবান, সেই কথাটি সব সময় মনে রাখবে। প্রতিদিন সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তোমার জীবনে যেসব আশীর্বাদ রয়েছে সেগুলোর জন্য।
আমি তো তাকে ছাড়া চলতে পারব না! মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি এমন আচরণে। এক বছর ধরে প্রতিনিয়ত তাকে হারানোর মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছি। আমি কিছুতেই মন দিতে পারছি না। আমার জীবনে তাকে ছাড়া অন্য কাউকে মেনে নেওয়া সম্ভব না। তাকে ফিরে পেতে চাই। আমি এখন কী করব?

নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক

পরামর্শ
তোমাদের সম্পর্ক এত দীর্ঘদিনের জেনে মনে হচ্ছে, দুজনেই সম্পর্কের শুরুতে বয়ঃসন্ধিতে ছিলে। এই সময়টিতে সম্পর্ক গড়ে উঠলেও আবেগগুলো তীব্র আকারে অনুভূত হয় বলে সম্পর্কে বেশ টানাপোড়েন থাকে। তুমি জানাওনি তোমাদের আট বছরের সম্পর্ক কীভাবে চলেছে। অনেক সময় দেখা যায়, দুজন দুজনকে খুব নিয়ন্ত্রণ করতে চেষ্টা করে। কারা তাদের বন্ধু হবে, কাদের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন থাকা উচিত, সেসব নিয়ে অনেক বেশি মনোমালিন্য হয়ে থাকে। তোমাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে কি না, তা ভেবে দেখতে পারো। এই মানসিক চাপ নিয়ে দুজনেই যখন সম্পর্কটি ধরে রাখার চেষ্টা করে, তাতে করে বেশ তিক্ততা জমে যায়। তবে ছেলেটি যেভাবে সম্পর্কটি শেষ করে দিল, সেটি তোমাকে যে অনেক বেশি বিপর্যস্ত করে তুলেছে তা বোঝা যাচ্ছে।

সে কী কারণে তোমার সঙ্গে সুখী হতে পারবে না, তা কি পরিষ্কারভাবে বলেছে? যদি বলেও থাকে, সেটি বোধ হয় তোমাকে মোটেও আশ্বস্ত করতে পারেনি। তুমি যে ওকে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করছ, এর ফলে ছেলেটির দুর্ব্যবহার করার সুযোগ বাড়ছে। এতে করে তো তোমার কষ্ট আরও বেড়ে যাচ্ছে, তাই না? তুমি হয়তো এখনো প্রত্যাশা করে রয়েছ বলেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছ না। তারপরও চেষ্টা করো নিজেকে তুমি এভাবে আরও কষ্ট না দিয়ে মনের যত্নের প্রতি মনোযোগী হতে।

আমাদের কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে নিজেকে, তাহলেই আমরা চারপাশের মানুষদের ভালোবাসতে এবং সুখী করতে পারব। একটি সম্পর্ক যেহেতু দুজনের সম্মতিতে চলতে থাকে, কোনো একজন সরে যেতে চাইলে আর কিছুই করার থাকে না। যে মানুষটি দুঃখের বোঝা বহন করে, সে ক্রমাগত একটি চক্রের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে। কখনো নিজের ওপর বা অন্য মানুষটির ওপরে খুব রাগ হয়, আবার কখনো সে অনেক বেশি বিষণ্নতার শিকার হয়। এ ছাড়া মাঝেমধ্যে মন মানতে চায় না যে সত্যিই ব্যাপারটি ঘটে গেছে। সে তখন নানাভাবে চেষ্টা করে ছেড়ে যাওয়া মানুষটিকে বুঝিয়ে, তার কাছে মাফ চেয়ে আবার সম্পর্কটিতে ফিরে যাওয়ার জন্য। তবে সেই চেষ্টা বহুদিন করতে থাকলে কষ্ট তো কমেই না, বরং হাজার গুণে বেড়ে যায়।

তুমি স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছ। কাজেই সামনে আরও উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। একটি মানুষের জন্য নিজেকে এভাবে নিঃশেষ করে দিয়ো না, কেমন? নিজের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অটুট রেখে লেখাপড়া শেষ করো। নিজের পায়ে দাঁড়াতে চেষ্টা করো। তোমার জীবনটি যে অনেক মূল্যবান, সেই কথাটি সব সময় মনে রাখবে। প্রতিদিন সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তোমার জীবনে যেসব আশীর্বাদ রয়েছে সেগুলোর জন্য।

কমেন্টসমুহ
সিক্রেট ডাইরি সিক্রেট ডাইরি

Top