fbpx

৯০ ভাগ বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে ফেসবুকের কারণেঃ হানিফ

বাংলাদেশে ফেসবুক এখন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফেসবুকের কারণে সবচেয়ে বেশি বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে। এ ফেসবুকের কারণে দাম্পত্য জীবনেও সমস্যা হচ্ছে। জানালেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, গত ২০১৭ সালে ৯০ ভাগ বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে ফেসবুকের কারণে। ছেলেমেয়েরা সার্বক্ষণিক ফেসবুকে থাকছে। অভিভাবকদের এদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। অভিভাবকদের লক্ষ্য রাখতে হবে তাদের সন্তানরা কী করে কোথায় যায়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মাদকমুক্ত সমাজ ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। রাজধানীর আজিমপুর কমিউনিটি সেন্টারে এ সমাবেশ হয়।

তিনি বলেন, অভিভাবক সচেতন হলে সন্তানরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো হবে যিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখছেন। আর অভিভাবকরা সচেতন না হলে সন্তানরা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের মতো হবে যিনি দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

নুসরাত জাহান রাফি হতাকাণ্ড প্রসঙ্গে হানিফ বলেন, ‘রাফি হত্যায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হবে। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন, যিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স দেন, রোড পারমিট দেন সড়ক দুর্ঘটনার জন্য তারাও দায়ী। যে চালককে লাইসেন্স দেয়া হয় তাদের অধিকাংশই অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত। কোনো আইন জানে না, ন্যূনতম জ্ঞান নেই। তাদের লাইসেন্স দেয়ার কারণে এ সমস্যা হয়।

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম বলেন, প্রত্যেক দুর্ঘটনার পর যানবাহনের মালিককেও আসামি করে মামলা দিতে হবে। তাহলে মালিকরা আর অদক্ষ চালককে নিয়োগ দেবে না। মাদকের ব্যাপারে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ব্যাপারে অভিভাবকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

সমাবেশে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাাদক এবং মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক শাহে আলম মুরাদের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম, বাংলাদেশ জাসদের কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দিন খান বাদল, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাতসহ অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা।

কমেন্টসমুহ
সিক্রেট ডাইরি সিক্রেট ডাইরি

Top