fbpx

আমার সঙ্গেই কেন এমন হচ্ছে?

সামাজিক যোগামধ্যম ফেসবুকে অ্যাকটিভ চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। দিনভর নিজের ফেসবুকের ওয়ালে স্ট্যাটাসের বৃষ্টি ঝড়ান। একের পর এক ছবিও আপলোড হতে থাকে। সেই মাহির ফেসবুক হুট করে উধাও! পেজেও পোস্ট করা আপত্তিকর ভিডিও। শুধু আপত্তিকর নয় পুরোপুরি পর্নো ভিডিও! যে পেজ কী না আবার ফেসবুক কর্তৃক ফেরিফাইড!

বিষয়টি নিয়ে বেশ বিপাকেই আছেন এই চিত্রনায়িকা। ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ও ভেরিফায়েড পেজ নিয়ে পড়েছেন চরম বিব্রতকর অবস্থায়। মাহি জানান, ২৩ মে ভোর রাত থেকে আইডি ও পেজ নিয়ন্ত্রণে নেই তার। ব্যক্তিগত আইডি হয়ে যায় ডিজেবল তবে সচল থাকে পেজ।

সেই সচল পেজেই হ্যাকারা ঝুলিয়ে রাখে আপত্তিকর ভিডিও। যে ভিডিও সম্পর্কে জানেন না কিছুই। মন্তব্য মাহির। ভাইরালের যুগ এটা। মাহির পেজের সেই ভিডিও হয়ে যায় ভাইরাল। বিষয়টি কানে যাওয়া মাত্রই পুলিশের ধারস্থ হন মাহি। ৯৯৯-এ যোগাযোগ করে সরানো হয় ভিডিও। কিছুটা স্বস্থি আসে নায়িকার।

সবার উদ্দেশ্যে মাহি প্রশ্ন রেখে বলেন , আমি ফেসবুকে ঘনঘন পোস্ট করি। একটু বেশিই ফেসবুকে অ্যাকটিভ। এটাই কী আমার অপরাধ? আমার প্রথম আইডি সামিরা আকতার নিপা মাহি। যেটা গত বছর হ্যাকড হয়। পরে আবার আইডি খুলি। কারণ ফেসবুকে তো এখন আমাদের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। এবার সেই আইডিও হ্যাক হয়। আমার আমার সঙ্গেই কেন বার বার এমনটা হচ্ছে?

তবে ভক্তদের দারুণ প্রশংসা করেন মাহি। তারা অবশ্যই বিভ্রান্ত হবেন না বলে বিশ্বাস রাখেন মাহি। ‘আমার ভক্তরা অনেক সচেতন। কোনো আপত্তিকর ভিডিও বা ছবির মাধ্যমে তারা বিভ্রান্ত হবেনা বলে আমার বিশ্বাস। বলেন, অগ্নি ও পোড়ামন ছবির এ নায়িকা।

ফেসবুজ আইডির মূল অ্যাডমিন মাহ নয়। এটা জাজ থেকে খোলে দেয়া হয়েছিল। ২০১৫ সাল জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ফাটলের পর পেজটি জাজ কর্তৃপক্ষে তাদের নিয়ন্ত্রণে রেখে দেয়। ৭ লাখের অধিক ছিলো সেই পেজের ফলোয়ার। চার বছর পর সম্প্রতি পেজটি মাহির নিয়ন্ত্রণে দেয় জাজ। নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পরই হ্যাকার কর্তৃক আবার নিয়ন্ত্রণ হারান মাহি।

কমেন্টসমুহ
সিক্রেট ডাইরি সিক্রেট ডাইরি

Top