fbpx

বেশিদিন বাঁচতে চুমু’র বিকল্প নেই!

চিকিৎসকরা ভালোভাবে জীবন ধারনের জন্য কতোই না পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এটা ওটা, কতো কি! আর তা মেনে চলা কতোই না ঝামেলার।

তবে একবার ভাবুন তো যদি এসবের কিছু না করেই প্রতিদিন চুমু খেলে বেশিদিন বাঁচা যায়, তাহলে বিষয়টা কেমন হয়। হ্যাঁ, সম্প্রতি একদল বিজ্ঞানীদের গবেষণায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে।

ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন প্রিয়জনকে বা পছন্দের মানুষকে সুন্দর করে একটা চুমু খেলেই আপনি সুস্থ থাকবেন। খুব কাছের কোনো মানুষকে ভালোবেসে চুমু খেতে পারলে তার কী কী উপকার পাবেন জেনে নিন।

অ্যালার্জি প্রতিরোধে: চিংড়ি খেতে কারো কারো অ্যালার্জি হয়। কিন্তু চুমু খেতে কারো অ্যালার্জি আছে, এমন কথা কখনো শোনা যায়নি। একমাত্র চুমু খেলেই রক্তে অ্যালার্জি প্রতিরোধক অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। ফলে চোখ দিয়ে পানি পড়া, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং হাঁচি বন্ধ হয়।

স্ট্রেস মুক্ত থাকা যায়: একটা গভীর চুম্বনে জীবনের যাবতীয় স্ট্রেস থেকে দূরে থাকা যায়। কারণ চুমু খাওয়ার সময় আমাদের দেহ থেকে অক্সিটোসিন হরমোনের ক্ষরণ হয়। যার প্রভাবে মন রিল্যাক্সড থাকে।

ক্যালোরি বার্ন করত: ক্যালোরি বার্ন করা প্রয়োজন। প্রচুর হেঁটে ও কড়া ডায়েট করেও তা হচ্ছে না! চিন্তা নেই। শুধু একটা চুমুতেই ১২০ কিলো ক্যালোরি বার্ন করা যায়।+

ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে না: প্রতিদিন যারা নিয়মিত চুমু খান, তাদের ত্বকে বয়সের ছাপ অনেক পরে আসে। এমনকী মুখে বলিরেখাও কম পড়ে।

ফুসফুসের রোগ হয় না: যদি আপনি নিয়মিত চুমু খান তাহলে ফুসফুসের ক্যান্সার বা অন্য কোনো রকম সংক্রমণ থেকে অনেকটাই দূরে থাকা যায়। এছাড়াও চুমুতে ফুসফুস শক্তিশালী হয়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে: প্রতিদিন চুমু মনের চাপ কমায়, ফলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে। হার্টরেট ঠিক থাকে এবং হার্টের কোনো রকম সমস্যা থেকেও দূরে রাখে।

মাথাব্যথা কমায়: একটা আদুরে চুমুতেই যে কোনো রকম মাথা ব্যথা বা খিঁচ ধরা ব্যথা ওষুধ ছাড়াই অনায়াসে সেরে যায়।

দাঁতের সমস্যা দূর: দাঁতের ক্যাভিটির সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে নিশ্চিন্তে চুমু খান প্রতিদিন। চুমু খাওয়ার সময় যে স্যালিভা নির্গত হয়, তার মধ্যে নিউট্রালাইজেস অ্যাসিড থাকে। যা মুখের খারাপ ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধুয়ে মুখ পরিষ্কার করে।

কমেন্টসমুহ
সিক্রেট ডাইরি সিক্রেট ডাইরি

Top